Categories


মাস্টারিং মাইক্রোসফট এক্সেল

কর্মক্ষেত্রে আপনি যে পদেই থাকুন না কেন, মাইক্রোসফ্ট এক্সেল আপনার কাজকে আরেকটু সহজ করে দিতে পারে। সাধারণ ব্যবহারকারীরা যেসব কাজ ২ থেকে তিন দিন সময় নিয়ে করবে, এক্সেলে পারদর্শী ব্যক্তি সে কাজটি মাত্র ২-১ ঘন্টায় করে ফেলতে পারেন। শুধু তাই নয়, এক্সেল ব্যবহার করে ইন্টেলিজেন্ট অ্যাপ্লিকেশন বানানাে যায়, যা কিনা আপনার হয়ে ডিসিশন নিতে পারবে, একা একাই রিপাের্ট জেনারেট করতে পারবে। সুতরাং এক্সেল শুধু যােগ-বিয়ােগ করার জন্যই নয়- বরং চিঠিপত্র লেখা, প্রেজেন্টেশন, ডেটাবেইস ম্যানেজমেন্ট, এনালাইসিস, ডিসিশন মেকিং- এমনকি কাস্টমাইজড এপ্লিকেশনও তৈরি করা সম্ভব এম এস এক্সেলের সাহায্যে। আর আপনাকে মাইক্রোসফট এক্সেল এর যাদুকরী টিপস এ্যান্ড ট্রিকস সহজে রপ্ত করে নিতে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমরা আশা করছি যে এই সহায়িকাটি আপনাদের উপকারে আসবে। আর তা হলেই আমাদের প্রচেষ্টা স্বার্থক। আপনাদের সুচিন্তিত মতামত এবং সুপরামর্শ ভবিষ্যতে বইটির কলেবর বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে, বিশ্বাস করি।


মাস্টারিং মাইক্রোসফ্‌ট ওয়ার্ড ভার্সন: এক্সপি, ২০০০, ২০০৩, ২০০৭ এবং ২০১০

কম্পিউটারের সূচনা বেশীদিন আগের কথা নয়, যখন মানুষ প্রকৃতির কাছে ছিল অসহায়। তারা বেঁচে থাকতাে জঙ্গলের ফলমূল অথবা কাঁচা মাংস খেয়ে। ধীরে ধীরে তারা শক্তির ব্যবহার শিখলাে। আগুনের ব্যবহার মানুষের জীবন প্রণালী পাল্টে দিল। দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি বড় ধরনের বিপদের বিরুদ্ধে আগুনই ছিল প্রধান অস্ত্র। আগুনই সভ্যতার চাকা ঘুরালাে। পরবর্তীতে বিদ্যুত এসে ঘটিয়ে দিল আমূল পরিবর্তন। এখনকার দিন কম্পিউটারের দিন অর্থাৎ ডিজিটাল লাইফ। এটি ব্যবহৃত হচ্ছে- অফিসে, ব্যবসাবাণিজ্যে, হাসপাতাল, পুলিশ ষ্টেশন, মহাকাশ স্টেশনসহ সকল ক্ষেত্রে। যােগাযােগ রক্ষা, সময় গণনা, বিনােদনসহ সকলক্ষেত্রে রয়েছে এর ব্যবহার। চলুন মাইক্রোসফট ওয়ার্ড সম্বন্ধে আলােচনার আগে খুব সংক্ষেপে আনুসাঙ্গিক বিষয় নিয়ে সামান্য আলােচনা করা যাক। কম্পিউটার (Computer) হলাে আধুনিক বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিস্কার। এটা হচ্ছে বিশেষ ধরনের একটি ইলেকট্রনিক্স যন্ত্র, যার মাধ্যমে আপনি খুব সহজে এবং স্বল্প সময়ে প্রচুর ডাটা সম্বলিত বড় গাণিতিক (Mathematical) হিসাবসহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সমাধান করতে পারেন। যদিও কম্পিউটার আবিস্কার বেশী দিনের নয় তবুও কম্পিউটার বর্তমানে আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে গেছে। নিত্যদিনের ব্যবহার করা আপনার ডিজিটাল ঘড়িটি, হিসাব নিকাশের জন্য ক্যালকুলেটর, নাস্তা গরম করার জন্য ডিজিটাল ওভেন, সংযােগ রক্ষার্থে ডিজিটাল টেলিফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি খেলনাসহ সব ধরনের ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রই কম্পিউটারের অংশ বিশেষ বা কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরী করা।


কমপ্লিট (বিগিনার, অ্যাডভান্সড ও প্রোফেশনাল) মাস্টারিং মাইক্রোসফ্‌ট এক্‌সেস-ভার্সন ২০১৩, ২০১০ এন্ড ২০০৭

Microsoft Access Microsoft Office এর মধ্যে একটি উল্লেখ যােগ্য প্রােগ্রাম হচ্ছে Microsoft Access. এটি একটি ডাটাবেজ প্রােগ্রাম। যদিও আমরা Microsoft Excel-এ ডাটা নামে একটি সামান্য চ্যাপ্টার নিয়ে কাজ করি। কিন্তু Accessই হচ্ছে মূল ডাটাবেজ প্রােগ্রাম। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত ডাটাবেজ প্রােগ্রাম। এটি আকারের দিক থেকে ছােট প্রােগ্রাম হলেও কাজের ক্ষমতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত শক্তিশালী একটি প্রােগ্রাম। ব্যাংক বীমা, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, বড় হাসপাতাল ইত্যাদিতে ব্যবহৃত ডাটাবেজ সংরক্ষণ, অ্যানালাইসিস, হিসাবরক্ষন ইত্যাদিতে ব্যবহার করার জন্য Access সত্যিই জনপ্রিয়, শক্তিশালী, সংরক্ষিত একটি প্রােগ্রাম। অনান্য ডাটাবেজ প্রােগ্রাম, যেমন: ডিবেজ, ফক্সপ্রাে, ফক্স বেজ, সাইবেজ ইত্যাদি ডাটাবেজ প্রােগ্রামকে পেছনে ফেলে Access এখন সবার উপরে।


মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ভার্সন এক্সপি ও ২০০৭ (সর্বশেষ ভার্সন ২০১০ সহ)

সূচিপত্র
* কমপিউটারের ধারণা
* ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম
* মাইক্রোসফ্‌ট উইন্ডোজ
* মাইক্রোসফ্‌ট ওয়ার্ড
* ওয়ার্ড উইন্ডো পরিচিতি
* ওয়ার্ডে কাজ করা
* ফাইল নিয়ে কাজ করা
* টেক্সট ফর্মেটিং
* প্রিন্ট করা
* এডিট মেনু
* ভিউ করা
* সন্নিবেশত করা
* সন্নিবেশিত করা
* ছবি সন্নিবেশিত করা
* নির্ঘন্ট, ফাইল এবং ক্রস রেফারেন্স সন্নিবেশিত করা
* চার্ট সন্নিবেশিত করা
* ফর্মেট : ফন্ট, প্যারাগ্রাফ, ট্যাব
* ফর্মেট : প্যারাগ্রাফ নাম্বারিং
* ফর্মেট : বর্ডার, ব্যাকগ্রাউন্ড, জলছাপ, থিমস, লাইন
* ফর্মেট : কলাম, ড্রপক্যাপ
* ফর্মেট : স্টাইল, অটোফরমেট
* স্পেল চেক, থেসারাস, ওয়ার্ড কাউন্ট, অটোকারেন্ট
* প্রঢেক্ট, ম্যাক্রো, কাস্টমাইজ কমান্ড, টুলস অপশন্স
* মেইল মার্জ, ইনভেলপ, লেবেল
* টেবিল নিয়ে কাজ করা
* উইন্ডো মেনু
* সাহায্যকারী মেনু
* অফিস সহকারী
* ড্রয়িং
* ওয়ার্ডআর্ট
* ই-মেইল
* টাইপ শিক্ষণ পদ্ধতি
* কমপিউটারে বাংলা ব্যবহার
* বাংলায় দ্রুত টাইপ করার নিয়ম
* বানান নির্দেশিকা ও প্রুফ সংশোধনী
* বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান

ওয়ার্ড ২০০৭
* ওয়ার্ড ২০০৭ পরিচিতি
* ফাইল নিয়ে কাজ করা
* Home রিবন
* Insert রিবনের ব্যবহার
* Page Layout রিবন
* টেবিল, ছবি, চার্ট ও স্মার্ট আর্ট তৈরি
* Review রিবন
* View রিবন
* ওয়ার্ডআর্ট ও ড্রাইং

ওয়ার্ড ২০১০


মাইক্রোসফট অফিস-২০১০

সূচিপত্র * মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ সম্পর্কে ধারণা * মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ ইন্সটল করা * মাইক্রোসফট অফিস ২০১০ এর কাজ করা * অফিস ২০১০ এ সাধারণ কাজ করা * ওয়ার্ড ২০১০ এ টেক্সট ভিউয়িং ও এডিটিং * ওয়ার্ড ২০১০ এ ফরমেটিং করা * ওয়ার্ড ২০১০ এ স্পেশাল কনটেন্ট নিয়ে কাজ করা * মাইক্রো এক্সেল ২০১০ এ কাজ করা * এক্সেল ২০১০ এ ডেটা অ্যানালাইজিং ও উপস্থাপন * মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট * স্লাইডে এনিমেশন সন্নিবেশিত করা * আউটলুক ২০১০ এ মেসেজসমূহ নিয়ে কাজ করা * আউটলুক ২০১০ দিয়ে অর্গানাইজ করা * পাবলিশার ২০১০ এ একটি পাবলিকেশন তৈরি করা * ওয়াননোট ২০১০ এ তথ্য অর্গানাইজ ও শেয়ার করা * একসিস ২০১০ এ কাজ করা * অফিস ২০১০ কাস্টোমাইজ করা ও নিরাপত্তা প্রদান


মাইক্রোসফ্‌ট এ্যাক্‌সেস্‌ ২০১৩, ১০, ০৭

মাইক্রোসফ্ট এ্যাকসেস্ ২০১৩ ১ম অধ্যায় ১.১ Microsoft Access 2013 কি? (What is Ms Access 2013) Microsoft Access (MSA) 2013 হচ্ছে Database তৈরি এবং মেইনটেইন (Maintain) করার প্রােগ্রাম (Program). ১.২ ডেটাবেজ কি? (What is Database) Database হচ্ছে Data সংরক্ষন (Store) করার স্থান। যেখানে সুসজ্জিত (Organized) ভাবে Data সংরক্ষণ (Store) করা য়ায এবং প্রয়ােজনে খুব সহজেই সেই Data ঐ Database থেকে নেওয়া যায়। ডেটাবেজ এ Data রাখা Data নেওয়া এবং ডেটা ব্যবহার করে প্রয়ােজন অনুযায়ী Information সরবরাহ (Provide) করার প্রসেস গুলাে করা হয় Ms access 2013 দ্বারা। Ms Access 2013 উপরােক্ত Process গুলাে ৪ টি Object দ্বারা সম্পন্ন করা হয়। ১.৩ Ms Access 2013 এর Object সম্পর্কে ধারনা ঃ (Concept access 2013 Object) Ms Access 2013 সাধারনত ৪টি Object থাকে। মূলত এই ৪টি Object দিয়ে database মেইনটেইন (Maintain) করা হয়। নিচে ৪টি Object দেওয়া হলাে। ১. Table : Ms Aceess এ টেবিলের (Table) মাধ্যমে Data রাখা হয়। ২. Form: Form এর মাধ্যমে খুব সহজেই টেবিলে Data রাখা যায়। ৩. Queries: কিউরির (Query) এর মাধ্যমে Database থেকে কোন নির্দিষ্ট Data নিয়ে আসা হয়। ৪. Reports: রিপাের্ট (Report) এর মাধ্যমে খুব সহজেই পাঠক (Reader) এর কাছে information উপস্থাপন করা যায়।


টালী এন্ড প্রফেশনাল একাউন্টিং

টালীতে যখন যে কাজই করেন না কেন কাজ শেষে আবার আগের জায়গায় মানে Gateway of Tally তে চলে আসবেন। এই Gateway of Tally কে আমি কোথাও কোথায় শুধু Gateway বলেছি।

- সর্টকাট কমান্ডগুলাে অবশ্যই গেটওয়েতে থাকা অবস্থায় প্রয়ােগ করতে হবে। - ভালভাবে বুঝার জন্য সিকুয়েন্স রক্ষা করে এগুলে ভাল ফল দেবে।

- Non Accounitng Background দের জন্য Basic Accounting Chapter টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। - বইতে উদাহরণে লেনদেন গুলাে ১, ২ এবং ৩১ তারিখে করা হয়েছে কারণ বেশীরভাগ স্টুডেন্ট/ইউজার Educational ভার্সনে এ্যাকটিস করবে আর এডুকেশনাল ভার্সন এই তিনটি তারিখে বাইরে যায়না।

- যখনি F11:Feature এ যেতে বলব, তখন দেখবেন আপনি কোন অংশের প্র্যাকটিস করছেন। যদি একাউন্টিং অংশের প্র্যাকটিস করেন তাহলে Accounting Feature এ যাবেন। আর ইনভেন্টরী সেকশনে থাকলে ইনভেন্টরী ফিচারে যাবেন। - টালীতে অল্টার বলতে এডিট বা পরিবর্তন বুঝায়।


মাইক্রোসফট একসিস ভার্সন এক্সপি, ২০০৭, ২০১০, ২০১৩

যদি এমন হয় যে, ডেটাবেজের প্রায় সকল রেকর্ডেই কোন ফিল্ডের একটি কমন ডেটা থাকে তবে সেটিকে ডিফল্ট ভেন্যু হিসেবে রেখে দিলে ঐ ডেটাবেজে যতগুলাে রেকর্ড এন্ট্রি করা হবে সব রেকর্ডেই সেটি প্রদর্শিত হবে। অর্থাৎ প্রতিটি রেকর্ডের জন্য সেই ডেটাকে বার বার টাইপ করার দরকার হয় না। একটি রেকর্ড এন্ট্রি শেষ হলে পরবর্তী রেকর্ডে সেই ফিল্ডে আসা মাত্র আপনা হতেই ভেন্যুটি আবির্ভূত হয়। তবে দরকার হলে এটিকে এডিট করা যায়। একটি উদাহরণের সাহায্যে বিষয়টা আরও পরিষ্কার করা যাক। ধরুন, বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে আপনার মােট পাঁচ হাজার ক্লায়েন্ট আছে যার মধ্যে চার হাজারেরও বেশি ক্লায়েন্ট ঢাকা শহরের। আপনি যদি City ফিল্ডের ডিফল্ট ভেন্যু হিসেবে Dhaka রেখে দেন, তবে প্রতিটি রেকর্ডেই City ফিল্ডটি ঢাকা দ্বারা পূর্ণ হবে। অবশ্য সবগুলাে রেকর্ড ডেটাবেজে এন্ট্রি করতে হবে। বাদ বাকী রেকর্ডগুলাের Dhaka মুছে দিয়ে অন্যান্য শহরের নাম, যেমন ঃ Khulna, Comilla, Chittagong ইত্যাদি লেখা যাবে।