Categories


ঘনাদা সমগ্র ১

গল্পটাই আগে বলব, না, গল্প যাঁর মুখে শােনা, সেই ঘনশ্যাম-দার বর্ণনা দেব, বুঝে উঠতে পারছি না। গল্পটা কিন্তু ঘনশ্যাম-দা, সংক্ষেপে ঘনাদার সঙ্গে এমন ভাবে জড়ানাে, যে তাঁর পরিচয় না দিলে গল্পের অর্ধেক রসই যাবে শুকিয়ে। সুতরাং ঘনাদার কথা দিয়েই শুরু করা বােধ হয় উচিত।

ঘনাদার রােগা লম্বা শুকনাে হাড়বারকরা এমন একরকম চেহারা, যা দেখে বয়স আন্দাজ করা একেবারে অসম্ভব। পঁয়ত্রিশ থেকে পঞ্চান্ন যে কোনও বয়সই তাঁর হতে পারে। ঘনাদাকে জিজ্ঞেস করলে অবশ্য একটু হাসেন, বলেন, “দুনিয়াময় টহলদারি করে বেড়াতে বেড়াতে বয়সের হিসেব রাখবার কি আর সময় পেয়েছি! তবে—” বলে ঘনাদা যে গল্পটা শুরু করেন, সেটা কখনও সিপাই মিউটিনির, কখনও বা রুশ-জাপানের প্রথম যুদ্ধের সময়কার। সুতরাং ঘনাদার বয়স আন্দাজ করা আমরা ছেড়ে দিয়েছি। শুধু এইটুকুই মেনে নিয়েছি যে গত দুশাে বছর ধরে পৃথিবীর হেন জায়গা নেই যেখানে তিনি যাননি, হেন ঘটনা ঘটেনি যার সঙ্গে তাঁর কোনও যােগ নেই।

 


শার্লক হোমস রচনাসমগ্র (অখণ্ড)

একটা মামলার মধ্যে আটকে রয়েছেন শার্লক হােমস। তার শরীরের যা অবস্থা ভালাে নয়—দিনের পর দিন রােগা হয়ে যাচ্ছেন, খাওয়া দাওয়া একরকম ছেড়েই দিয়েছেন। ড. ওয়াটসন জিজ্ঞেস করেছিলেন, খাবেন কখন? তাতে তিনি বলেছিলেন, পরশু সাড়ে সাতটায়।

বিলি হােলাে হােমসের ছােকরা চাকর। খুব চালাক আর চটপটে। হােমসের জীবনের একাকিত্বের ফাক অনেকটা ভরাট করেছে সে। বিলি ড, ওয়াটসনকে বলল—কাকে যেন ধরার চেষ্টা করছেন। পরশু বেরিয়েছিলেন জনমজুর সেজে, যেন কাজ খুঁজছেন, আর আজ বেরিয়েছিলেন এক বুড়ির সাজে।

 


ডেল কার্ণেগী রচনাসমগ্র

আপনি বা আমি এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছি দুই অসীমের সন্ধিক্ষণে-যে বিশাল অতীত চিরকাল রয়ে গেছে আর যে আগামী ভবিষ্যৎ চিরকাল থাকবে। আমরা এ দুই কালের কোনটাতেই সম্ভবত থাকতে পারি না-না, এক মুহূর্তও না। এরকমভাবে থাকতে গেলে আমাদের শরীর আর মন শেষ হয়ে যাবে। তাই যা থাকা সম্ভব তাই থাকি আসুন-এখন থেকে ঘুমােনাের সময় পর্যন্ত। রবার্ট লুই স্টিভেনসন বলেছেন, যত কঠিন ভারই হােক মানুষ রাত অবধি তার বােঝা বইতে পারে। যে-কোনাে লােকই যত কঠিন হােক তার কাজ করতে পারে একদিনের জন্য। যে কোন মানুষ আনন্দে, ধৈর্য নিয়ে, সুন্দরভাবে সূর্যাস্ত পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। আর জীবনের অর্থই তাই।'

 


21 Lessons for the 21st Century

"How do computers and robots change the meaning of being human? How do we deal with the epidemic of fake news? Are nations and religions still relevant? What should we teach our children? Yuval Noah Harari’s 21 Lessons for the 21st Century is a probing and visionary investigation into today’s most urgent issues as we move into the uncharted territory of the future. As technology advances faster than our understanding of it, hacking becomes a tactic of war, and the world feels more polarized than ever, Harari addresses the challenge of navigating life in the face of constant and disorienting change and raises the important questions we need to ask ourselves in order to survive. In twenty-one accessible chapters that are both provocative and profound, Harari builds on the ideas explored in his previous books, untangling political, technological, social, and existential issues and offering advice on how to prepare for a very different future from the world we now live in: How can we retain freedom of choice when Big Data is watching us? What will the future workforce look like, and how should we ready ourselves for it? How should we deal with the threat of terrorism? Why is liberal democracy in crisis? Harari’s unique ability to make sense of where we have come from and where we are going has captured the imaginations of millions of readers. Here he invites us to consider values, meaning, and personal engagement in a world full of noise and uncertainty. When we are deluged with irrelevant information, clarity is power. Presenting complex contemporary challenges clearly and accessibly, 21 Lessons for the 21st Century is essential reading."


টেনিদা সমগ্র

উপন্যাস:

চারমূর্তি

কম্বল নিরুদ্দেশ

চার মূর্তির অভিযান

টেনিদা আর সিন্ধুঘোটক

ঝাউ-বাংলোর রহস্য

গল্প:

একটি ফুটবল ম্যাচ

দধীচি, পোকা ও বিশ্বকর্মা

খট্টাঙ্গ ও পলান্ন

মৎস্য-পুরাণ

পেশোয়ার কী আমীর

কাক-কাহিনী

ক্রিকেট মানে ঝিঁঝি

পরের উপকার করিও না

চেঙ্গিস আর হ্যামলিনের বাঁশিওলা

ঢাউস

নিদারুণ প্রতিশোধ

তত্ত্বাবধান মানে-জীবে প্রেম

দশাননচরিত

দি গ্রেট ছাঁটাই

ক্যামোফ্লেজ

কুট্টিমামার হাতের কাজ

সাংঘাতিক

বন-ভোজনের ব্যাপার

কুট্টিমামার দন্ত-কাহিনী

প্রভাতসঙ্গীত

ভজহরি ফিল্ম কর্পোরেশন

চামচিকে আর টিকিট চেকার

ব্রক্ষ্ণবিকাশের দন্তবিকাশ

টিকটিকির ল্যাজ

বেয়ারিং ছাঁট

কাঁকড়াবিছে

হনোলুলুর মাকুদা

হালখাতার খাওয়াদাওয়া

ঘুঁটেপাড়ার সেই ম্যাচ

টেনিদা আর ইয়েতি

একাদশীর রাচিঁ যাত্রা

ন্যাংচাদার হাহাকার

ভজগৌরাঙ্গ কথা

নাটিকা:

পরের উপকার করিও না

সংযোজনা:

কিছু কথা : বই নিয়ে, টেনিদাকে নিয়ে

পটলডাঙার সেই টেনিদার বয়স এখন ৭৬"

 


গোলাপসংগ্রহ

সূচিপত্র

গোলাপের ইতিবৃত্ত

* গোলাপ বিসংবাদ

* গোলাপচিত্র

* গোলাপ নিয়ে আলাপ সালাপ

* কবি বেলাল চৌধুরীর সঙ্গে গোলাপ নিয়ে একদিন

* গোলাপচিত্র

* ছোটগল্প: পটভূমিতে গোলাপ

* গোলাপধোলাই

* ফানুস

* গোলাপচিত্র

* রচনা: প্রসঙ্গ গোলাপ

* বুনোগোলাপের সুখদুখ

* দশ মিনটে গোলাপের কথা

* আরো গোলাপ

* গোলাপচিত্র


ভাঙো দুর্দশার চক্র

আপনি ভেবে দেখুন, এই যে আপনার হাতের ঘড়িটা। ঘড়িতে একটা চামড়ার বেল্ট আছে। বেল্টটা বেশ সুন্দর, হয়ত কোনাে প্রাণীর চামড়া দিয়ে তৈরি। তাহলে কী দাঁড়াল? বেল্টটা তৈরির জন্য কোথাও না কোথাও প্রথমে একটা প্রাণীকে প্রাণ দিতে হয়েছিল। তারপর নানা প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে সেই চামড়াকে একসময় আপনার হাতঘড়ির বেল্টের জন্য শােভাবর্ধক করে তৈরি করা হয়েছে। তার মানে, শুধু মানুষই যে আমাদের বাঁচিয়ে রাখে ও আমাদের জীবনের ব্যাপারে অবদান রাখে তা না; জীবজন্তু গাছপালা ধাতু পাথর রােদ হাওয়া নদী সমুদ্র বিশ্ব মহাবিশ্ব-এমনি কোটি কোটি জিনিশও ভূমিকা রাখে।

 


অরণ্যে যুদ্ধ

প্রায় বছর তিনেক আগের ঘটনা। আহ্বানটি এসেছিল দৈনিক নিউএজ পত্রিকার সম্পাদক প্রিয় বন্ধু নূরুল কবীরের কাছ থেকে। তাঁরই সম্পাদনায় একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা বের হতে যাচ্ছে, সেটির জন্য কিছু অনুবাদের কাজ করে দিতে হবে আমাকে। এমন আহ্বানে সানন্দে সাড়া দেয়া ছাড়া বিকল্প থাকে না। একদিন পত্রিকা অফিসে গিয়ে জানতে পাই, আরেক পরিচিত সাংবাদিক আমীর খসরু সাপ্তাহিক বুধবার নামে প্রকাশিতব্য সেই পত্রিকাটির নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব নিয়েছেন। সাথে আছেন চন্দন সরকারও। চন্দনদাই ধরিয়ে দিলেন ইন্টারনেট থেকে ডাউন লােড করা অরুন্ধতী রায়ের ওয়াকিং উইথ দি কমরেডস লেখাটি। বাসায় নিয়ে পড়লাম । ভাল লাগলাে । অনুবাদ করতে গিয়ে ভালােলাগার মাত্রাটা যেন একটু বেড়েই গেল। লেখকের কোনাে কোনাে বক্তব্যের সাথে দ্বিমত পােষণ করার অবকাশ থাকলেও তাঁর দৃষ্টিভঙ্গির স্বচ্ছতা, চিন্তার সততা এবং ঘটনা বর্ণনার বস্তুনিষ্ঠতায় মুগ্ধ না হয়ে পারলাম না।


শিক্ষা ও সমাজ কাঠামো

শিক্ষা যে কাক্ষণীয় এবং দরকারি তা সকল সভ্য রাষ্ট্রের অভিমত। তথাপি এই অভিমতও সকল যুগে কিছু ‘শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি বিতর্কের ঊর্ধ্বে বলে মেনে নিতে পারেন নি। শিক্ষার বিরােধিতা যারা করেন তাদের অভিমত হল শিক্ষা কখনাে ঈপ্সিত সাফল্য অর্জন করতে পারে । এদের অভিমত সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার আগে আমাদের ভেবে দেখতে হবে শিক্ষা কতটা অর্জন করতে পারে বলে আমরা মনে করি। মানবকল্যাণ সম্পর্কে যেমন বিচিত্র ধারণা বিদ্যমান শিক্ষার উদ্দেশ্য সম্পর্কেও তেমনি রয়েছে বিচিত্র অভিমত। আবার এতসব বিতর্কের ভেতর একটা বিভেদ দেখা যাচ্ছে খুবই গভীর। একদল মনে করেন শিক্ষার প্রাথমিক লক্ষ্য হওয়া উচিত ব্যক্তি, অপর দলের অভিমত হল শিক্ষার কেন্দ্রীয় স্থান দখল করবে সমাজ।


শিক্ষা প্রসঙ্গ

সূচিপত্র
প্রথম অধ্যায় : আধুনিক শিক্ষাতত্ত্ব
দ্বিতীয় অধ্যায় : শিক্ষার লক্ষ্য
তৃতীয় অধ্যায় : চরিত্রের শিক্ষা
চতুর্থ অধ্যায় : ভয় 
পঞ্চম অধ্যায় : খেলা ও কল্পনা
ষষ্ঠ অধ্যায় : সৃজন কার্য
সপ্তম অধ্যায় : স্বার্থপরতা ও সম্পত্তি
অষ্টম অধ্যায় : সত্যবাদিতা
নবম অধায় : শাস্তি 
দশম অধ্যায় : অপর শিশুর সাহচর্য
একাদশ অধ্যায় : স্নেহ ও মনোবেদনা 
দ্বাদশ অধ্যায় : যৌন শিক্ষা 
ত্রয়োদশ অধ্যায় : নার্সারি স্কুল 
ষোড়শ অধ্যায় : বিদ্যালয়-জীবনের শেষ কয়েক বৎসর 
সপ্তদশ অধ্যায় : দিবা স্কুল ও বোর্ডিং স্কুল 
অষ্টাদশ : বিশ্ববিদ্যালয়
ঊনবিংশ অধ্যায় : উপসংহার


Bangladesh Era Of Sheikh Mujibur Rahman

The book presents an assessment of the politics pursued in Bangladesh during its initial years and argues that the crisis Bangladesh faces today is the result of the socio-economic and political measures taken by the Awami League government and Sheikh Mujibur Rahman. In the course of his assessment he has examined the political compulsion and contradictions which led the regime to go for a one-party rule. The ruling party’s treatment of the freedom fighters, the so-called collaborators and the army as an institution are seen as examples which had bleeding effect on the body politic of the newly achieved country.


সাত দশে

মহা নামকরা জায়গা এই কানপুর আই-আই-টি। ছাত্র হিসেবে এখানে প্রবেশ করতে হলে সাতজন্ম তপস্যা করাও এমন কিছু বেশি নয়। সােনার সঙ্গে সােহাগা মিশিয়ে এই কর্মশালায় গিনি সােনার ঝকঝকে গহনা তৈরি করা হয়, তারপর হানড্রেড পার্সেন্ট বিদেশে এক্সপাের্ট করে দেওয়া হয়, কারণ সােনার গহনা চায় হিরের সঙ্গে সংযুক্ত হতে এবং সেই ফিনিশিং টাচ সম্ভব কেবল মার্কিন মুলুকের বিদ্যাস্থানগুলিতে। এই বাসনার নাম মণিকাঞ্চন বাসনা-যােগবাশিষ্ঠরামায়ণে বলা হয়েছে মণির মণিত্ব + কাঞ্চনের কাঞ্চনত্ব = সামথিং বাড়তি, যা মণিতেও নেই, কাঞ্চনেও নেই।


আনন্দসঙ্গী : প্রবন্ধ

সীতা-নির্বাসনের পরে রামের শােকাকুল অবস্থার বর্ণনা রামায়ণে নিতান্ত সংক্ষিপ্ত। সীতাকে পরিত্যাগ করিয়া লক্ষ্মণ চতুর্থ দিবসে অযােধ্যায় প্রত্যাবর্তন করিলেন এবং রামের প্রাসাদে প্রবেশ করিয়া দেখিলেন—তিনি (রাম) দুঃখাবেগে জলধারাবুলােচনে অনবরত রােদন করিতেছেন। শশাকের বর্ণনা রামায়ণে এই পঙক্তিমাত্রে পর্যবসিত। রাম ধীরােদাও-গুণান্বিত নায়ক, প্রাকৃতের ন্যায় শােক্যভিভূত হইয়া মুক্তকণ্ঠে বিলাপ তাদৃশ নায়কের প্রকৃতি-বিরােধী; তাঁহার “জলধারাকুললােচনই অন্তগুঢ় ঘনব্যথ শােকশল্যের দারুণ বেধন-বেদনার নীরব নিদর্শন। তাই পঙক্তিমাত্রে শােক বর্ণনা সমীচীনই মনে হয়। উত্তর চরিতে এই মর্মন্তুদ শশাকের করুণ রসাত্মক অনেকগুলি শ্লোক আছে; তাহাদের দুইটির বঙ্গভাষায় অনুবাদ উদ্ধৃত করিলাম। সহৃদয় পাঠক শােকের তীব্রতা ইহাতে অনুভব করিতে সে কৃত করলাম। সহৃদয় পাঠক শশাকের তীব্রতা ইহাতে ত করিতে পারিবেন, বােধ হয়।


নদিয়া চর্চা

নদিয়া গাঙ্গেয় সমতট। প্রাচীনকালের নদিয়ার অবস্থানগত অঞ্চলের ভৌগােলিক নাম ও চতুঃসীমা বর্তমানকালে এতদূর পরিবর্তন হয়েছে যে, বর্তমান নদিয়ার সঙ্গে পূর্বেকার ইতিহাসের নদিয়ার ভৌগােলিক অবস্থানে কোনও সামঞ্জস্য নেই এবং সেই অবস্থান নিরূপণ করা প্রায় দুঃসাধ্য। একথা সুবিদিত যে, প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের ধারা যে ভৌগােলিক অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত ছিল— সেই অঞ্চলের আধুনিককালের নাম বাংলা বা পশ্চিমবঙ্গ, কিন্তু প্রাচীন ইতিহাসের মূল প্রবাহের সঙ্গে প্রাচীনকালের নদিয়ার সংযােগ অনির্ণেয়।


কিঞ্চিৎ ব্যক্তিগত

কিঞ্চিৎ ব্যক্তিগত বইটি চলমান সময়ের রম্য আবরণের বয়ান। লেখক সহজ গদ্যে, কৌতুকের ছলে বলেছেন আনন্দ বেদনা, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, রাগ, ক্ষোভ ও দ্রোহের কথা। লেখক চাকরিসূত্রে কারাগারের জেলার হওয়ায় লেখায় কিছু ভিন্ন স্বাদের অভিজ্ঞতার গল্প ও তথ্য পাবেন পাঠক। বইটিতে ব্যক্তিগত জীবন, কর্মক্ষেত্র, সমসাময়িক সামাজিক চিত্রের পাশাপাশি শিল্প, সাহিত্য ও প্রযুক্তির নানা বিষয়ে লেখকের যে দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে তা পাঠককে চেনা জগত ভিন্নভাবে চিনতে সহায়তা করবে।