Categories


সক্রেটিস

নানা কারণে সক্রেটিসের জীবন ও দর্শন সম্বন্ধে নিশ্চিতভাবে কিছু লেখা কঠিন। তাঁর সম্বন্ধে আমরা যে খুব বেশি জানি, এ কথা বলা যায় না। অন্যদিকে কিছুই জানা নেই বলা চলে না। বার্ট্রান্ড রাসেল বলেছেন, সক্রেটিস সম্বন্ধে আমাদের কম জানা আছে, না বেশি জানা আছে সেটা স্থির করাই মুশকিল। সক্রেটিসের জীবন ও মতবাদ বিষয়ে এইরকম জটিলতা কেন তা নিয়ে আমরা পরে আলােচনা করবাে। আপাতত তার সম্বন্ধে যে তথ্যগুলি খানিকটা নির্দ্বিধায় দেওয়া চলে, সেগুলিই তুলে ধরা যাক। তার জন্ম এথেন্সে ৪৬৯ বা ৪৭০ খ্রিস্টপূর্ব সালে। জন্মসূত্রে এথেনীয় সক্রেটিসের পরিবারের অবস্থা বােধহয় তেমন মন্দ ছিল না। তাঁর বাবার নাম সফ্রোনিস্ক। তিনি ছিলেন অ্যালােপেকি গােষ্ঠীর লােক। এটি এথেন্সের দশটি প্রধান গােষ্ঠীর একটি। সক্রেটিসের পরিবার ডেইডালস থেকে নিজেদের বংশক্রম গণনা করতাে। এ থেকে বােঝা যায়, পরিবারটি বনেদি।


ছোটদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব

গ্রাম বাংলার আর দশটা গ্রামের মতই পাখি ডাকা-ছায়াঘেরা গ্রাম এই টুঙ্গিপাড়া। এই গ্রামের মাটিতে, প্রকৃতির অকৃত্রিম পরিবেশেই কেটেছে শেখ মুজিবের ছেলেবেলার দিনগুলাে। পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হলেও শেখ মুজিব মাকে অত্যন্ত শ্রদ্ধা করতেন। এক কথায় বলতে হয়, শেখ মুজিব ছিলেন মাতৃভক্ত সন্তান। মহান পুরুষদের জীবন পর্যালােচনা করলে দেখা যায়, মাতৃভক্ত সন্তানেরাই জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে পেরেছে। সেদিক থেকে শেখ মুজিব পেয়েছেন মায়ের অসীম দোয়া। যা তার ভবিষ্যত জীবনে উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে উঠতে সাহায্য করেছিল।

 


ছোটদের হজরত মোহাম্মদ (সা:)

হজরত মোহাম্মদের নামের পর – ‘সাল্লাল্লাহু আলায়হে ওয়াসাল্লাম’- এই ক’টি কথা বলার নিয়ম।মনে মনে বললেও চলে।কথা ক’টির মানে – তাঁর ও্রপর আল্লাহর শান্তি নেমে আসুক!হজরতের ওপর এইভাবে শান্তির জন্যে প্রার্থনা করতে হয়, কেন জানো?কেননা- • মানুষের তিনি পরম বন্ধু ছিলেন। • মানুষ তাঁর ওপর ভীষণ,অসহ্য জুলুম চালিয়েছে; কিন্তু তিনি কখনো তার প্র্রতিশোধ নেননি, কখনো তার প্রতিশোধ নেননি, কখনো তাকে সেজন্যে অভিশাপ দেননি; বরং তাকে ভাইয়ের মতো ভালোবেসেছেন,তার মঙ্গলের জন্যে প্রার্থনা করেছেন। • তিনি ইসলাম ধর্ম প্রচার করেছিলেন; কিন্তু এই ধর্ম মানতে কাউকে কখনো জোর করেননি।যে তাঁর ধর্ম না মেনেছে, তাকেও তিনি সমান ভালোবাসা দিয়ে গেছেন। • সারা জীবন তিনি সাধারণ গরিবের মতো দিন কাটিয়েছেন।যখন তিনি আরব দেশের রাজা হলেন, তখনো তিনি গরিবের পোশাকে থাকতেন,গরিবের খাদ্য খেতেন,গরিবের মতো সামান্যে বাস করতেন। • গরিব অবস্থায় থেকেই তিনি মানুষের মঙ্গল করতেন। সারা জীবন তাঁর এইভাবে কেটেছে।সকলের ভালোর জন্যে,মানুষে মানুষে শান্তি আর মিলমিলাপের জন্যে জীবনভর তিনি চেষ্টা পেয়েছেন। তাই তিনি ছিলেন শান্তির দূত,সত্যের নবী, করুণার ছবি।তাই তাঁর জন্যে খোদার কাছে সবারই শান্তি চাওয়াই উচিত নয় কি? 


বিজ্ঞানী জীবনী সিরিজ : স্টিফেন হকিং

হকিং পরিবার যখন সেন্ট অ্যালবান্সের বাড়িটি কেনেন তখন তাদের আর্থিক অবস্থা ভালাে ছিল না। অথচ পুরােনাে আমলের বাড়িটিকে ঠিকঠাক করে নিতে অনেক টাকার প্রয়ােজন ছিল। কিন্তু ফ্র্যাংক হকিং তা না করে শুধু রংচং করে বাড়িটিকে চলনসই করে নেন। বাড়িটি বেশ বড়ােসড়াে ছিল এবং সেখানে কাজের লােকের থাকার ব্যবস্থাও ছিল। তদের কিন্তু সেরকম কোনাে লােকজন ছিল না। বাড়িটি পুরােনাে হলেও বেশ মজবুত ছিল এবং ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত হকিং পরিবার ওই বাড়িতেই বসবাস করতাে।

 


আমার ছোটবেলা

মায়ের কাছে শােনা আমার খুব ছােটবেলার দু'একটি গল্প বলি। আমি নাকি বেশ বেশি বয়স অবধি মাতৃদুগ্ধ পান করি । কিছুতেই অভ্যাসটা ছাড়ানাে যাচ্ছিল না। একদিন বাবা অনেক আদর করে আমার কাছ থেকে সম্মতি ও প্রতিশ্রুতি আদায় করে নিলেন যে কাল থেকে আমি আর বুকের দুধ খাব না। তারপর যথাসময়ে প্রচণ্ড ক্ষুধায় আমি খাবার জন্য অস্থির হয়ে উঠলাম। গরুর দুধ দেয়া হলাে বােতলে করে, মুখেই তুললাম না। কান্না, জেদ, অস্থিরতা। শেষে মা নিরুপায় হয়ে বুকের দুধ দিয়েই আমার ক্ষুধা মিটাতে এগিয়ে এলেন কিন্তু তাও আমি মুখে নেব না । জেদ আর কান্না সমানে চলল কিছুক্ষণ।


চে গুয়েভারা

ফুফু বিয়াত্রিসের বাড়িতে চে প্রায়ই যেত। রাতে খাবার খেত। রাত জেগে পড়াশুনা করত। ফুফু তাকে মা’র সমতুল্য আদর-যত্ন করতেন। অবিবাহিত ফুফু বিয়াত্রিস ছিলেন সূচিবায়ুগ্রস্ত। কারাে সঙ্গে হাত মেলানাের পর হাত ধুয়ে ফেলতেন। নিম্নশ্রেণীর লােকদের সঙ্গে মেলামেশা পছন্দ করতেন না। এই নিয়ে চে তার ফুফুর সঙ্গে খুব মজা করত। কোনাে মেয়ের সঙ্গে চে’র বন্ধুত্ব হয়েছে শুনলে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে জানতে চাইত মেয়েটির জাত-পাত কী? চে তখন হেয়ালি করে বলত—নিচু শ্রেণীর মেয়ে। আর শুরু হয়ে যেত বিয়াত্রিসের শাসন-বারণ ।


বিশ্বসভ্যতার অগ্রনায়ক : সক্রেটিস, প্লেটো ও অ্যারিস্টটল

সক্রেটিসের জীবন অন্যান্য সাধারণ অ্যাথেন্সবাসীর মতােই সাধারণ ছিল। অন্তত বাহির থেকে দেখে সক্রেটিসের জীবনধারার সাথে সাধারণ মানুষের জীবনধারার কোনাে পার্থক্য বােঝা যেত না। তার বিবাহিত পারিবারিক জীবনও ছিল নিতান্তই সাধারণ। তার স্ত্রীর নাম ছিল জানথিপি। এমন একটি কথা প্রচলিত ছিল যে, সক্রেটিসের স্ত্রী অত্যন্ত বদমেজাজী ও ঝগড়াটে মহিলা ছিলেন। কিন্তু প্লেটো সক্রেটিসের জীবন সম্পর্কে যা বর্ণনা দিয়েছে সেখানে এরূপ কোনাে কথার উল্লেখ নাই। সক্রেটিস ও জানথিপির তিনটি সন্তান ছিল। এদের নাম ল্যাক্সোক্লিস, সফ্রোনিমকস, মিনিক্লিনস। মনে করা হয় সক্রেটিস বেশি বয়সে বিয়ে করেছিলেন। কারণ, সত্তর বছর বয়সে যখন তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তখন তার বড় ছেলেটি ছিল একজন বালক; আর বাকি দুইজন নিতান্তই শিশু।

 


জেগে উঠছে ইরান

একজন দক্ষ বিচারপতি, লেখক, মানবধিকার কর্মী এবং সরকার বিরোধী শিরিন এবাদির কণ্ঠ নিজের দেশে মানুষের অদিকার আদায়ের পক্ষে সর্বদা স্পষ্ঠ এবং সোচ্চার, এবং সে উচ্চারণ দেশের সীমানা পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়েছিলো বহির্বিশ্বে । একজন নিবেদিত প্রাণ মানবাধিকার কর্মী এবং নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে এবাদি অনেকটা একাই ইরান এবং গোটা পৃথিবীর জন্য সুন্দর আগামীর প্রত্যাশা জুগিয়েছেন।

বইটি মূলত একজন সাহসী নারীর ইতিহাসের বাঁক প্রত্যক্ষকের অবিস্মরণীয় স্মৃতিগাথা। তাঁর সহকর্মী অন্যান্য আইনজীবিরা যেসব রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, নারী এবং শিশুবিষয়ক মামলা সচেতনভাবে বর্জন করতেন-তিনি সে সব মামলা পরিচালনা করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। এবাদি তাঁর পাবলিক ক্যারয়ারের সবিশেষ বর্ণনা দিয়েছন, নিজের বিশ্বাস, নিজের অভিজ্ঞতা এবং সাধারণ জীবনযাপনের আকাঙ্ক্ষাসহ ব্যক্তিগত অনুষঙ্গ হাজির করেছেন বইটিতে। আমরা দেখি , একজন বিপ্লবী কণ্ঠস্বর এমন একটা ভূখণ্ডেও অতিসাধারণ জীবনযাপন করছেন, যেখানে এসব কণ্ঠ রোধ করে চিরতরে বন্ধ করবার প্রয়াস সর্বদা কার্যকর। এবাদি নিজের তেহরানের বালিকাবেলা, গৃহস্থালি, নিজের শিক্ষাজীবন ইত্যাদি বর্ণনার পাশাপাশি ইরানের সবচেয়ে আলোচিত একজন মহিলা বিচারক হিসেবে সত্তরের দশকের মাঝামাঝি সময়কার নিজের পেশাগত জীবনের কিছু সফলতার বর্ণনা দিয়েছেন বইটিতে। ১৯৭৯ সালের ইরানের বিপ্লবের ভাবধারার বর্ণনা দিয়েছেন সুনিপূনভাবে, একই সঙ্গে কট্ররপন্থী মোল্লাদের হাতে পড়ে ইরানের সমাজব্যবস্থার করুন পরিণতির বিরোধিতা করেছেন। একদিন যে বিচার বিভাগের তিনি প্রধান ছিলেন, ধর্মতান্তিক প্রশাসন কর্তৃক বিচারক হিসেবে মহিলাদের অযোগ্য ঘোষণা করার পর কীভাবে তাঁকে অপদস্থ করে ওই একই বিভগের কেরানি করা হয়, সে ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন তিনি। ইরানের যে পুরুষতন্ত্র নারীদের মৌলিক অধিকার এবং সাধারণ জনগণের রাজনৈতিক স্বাধীনতা হরণ করেছে, তিনি তার তীব্র প্রতিবাদ করেন।


আমার পিতার স্বপ্ন থেকে : বর্ণ এবং উত্তরাধিকারের গল্প

অধিকাংশ প্রথম লেখকদের মতাে আমিও বইটির প্রকাশনা নিয়ে আশা ও নিরাশার দোলাচলে ছিলাম- আশাবাদী ছিলাম এ কারণে যে বইটির সফলতা হয়তাে আমার তারুণ্যের স্বপ্নকেও ছাড়িয়ে যাবে, আর নিরাশাবাদী ছিলাম এ কারণে যে আমার বক্তব্য যত সুন্দর করে বলা যেত তত সুন্দর করে বলতে মনে হয় ব্যর্থ হয়েছি। কিন্তু বাস্তবতা এ দুটোর মাঝামাঝি ছিলাে। সমালােচনা ছিলাে মৃদু সন্তেষিজনক। আসলে যে ক’জন লোেক আমার বইটি পড়েছিলেন তা আমার প্রকাশকের কল্যাণেই। বই বিক্রির সংখ্যা ছিলাে হতাশাব্যঞ্জক এবং কয়েক মাস পর আমি আমার নিজের জীবন নিয়ে মগ্ন হয়ে পড়লাম। পেশাজীবী লেখক হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত তিরােহিত, কিন্তু প্রক্রিয়া টিকিয়ে রাখতে পেরে আমি সন্তুষ্ট ছিলাম আর আমার মর্যাদাও কমবেশি অক্ষুন্ন ছিলাে।


Playing It My Way

‘My Autobiography : Playing It My Way’ Book Contents
Acknowledgements – ix
Prologue – 1
1. Childhood – 3
2. Learning the Game – 14
3. My First Tour – 33
4. Foreign Conditions – 49
5. Anjali – 73
6. Years of Consolidation – 84
7. World Cup 1996 – 108
8. Captaincy - The First Stint – 119
9. A Four-Month Honeymoon – 139
10. Tumultuous Times – 157
11. The Best Series Ever – 186
12. Standing Up for Myself – 197
13. A Glorious English Summer – 205
14. World Cup 2003 – 219
15. Away Wins – 237
16. Under the Knife – 255
17. ‘Endulkar’ – 267
18. Bad Language – 274
19. Bouncing Back – 293
20. The IPL – 308


When Breath Becomes Air

At the age of thirty-six, on the verge of completing a decade’s worth of training as a neurosurgeon, Paul Kalanithi was diagnosed with stage IV lung cancer. One day he was a doctor treating the dying, and the next he was a patient struggling to live. And just like that, the future he and his wife had imagined evaporated. When Breath Becomes Air chronicles Kalanithi’s transformation from a naïve medical student “possessed,” as he wrote, “by the question of what, given that all organisms die, makes a virtuous and meaningful life” into a neurosurgeon at Stanford working in the brain, the most critical place for human identity, and finally into a patient and new father confronting his own mortality.


Educated: A Memoir

Born to survivalists in the mountains of Idaho, Tara Westover was seventeen the first time she set foot in a classroom. Her family was so isolated from mainstream society that there was no one to ensure the children received an education, and no one to intervene when one of Tara’s older brothers became violent. When another brother got himself into college, Tara decided to try a new kind of life. Her quest for knowledge transformed her, taking her over oceans and across continents, to Harvard and to Cambridge University. Only then would she wonder if she’d traveled too far, if there was still a way home.


The Complete Personal Memoirs of Ulysses S. Grant

The complete personal memoirs of the 18th President of the United States and chief Union General during the American Civil War, Ulysses S. Grant.


The Third Plate: Field Notes on the Future of Food

Today’s optimistic farm-to-table food culture has a dark secret: the local food movement has failed to change how we eat. It has also offered a false promise for the future of food. In his visionary New York Times–bestselling book, chef Dan Barber, recently showcased on Netflix’s Chef’s Table, offers a radical new way of thinking about food that will heal the land and taste good, too. Looking to the detrimental cooking of our past, and the misguided dining of our present, Barber points to a future “third plate”: a new form of American eating where good farming and good food intersect. Barber’s The Third Plate charts a bright path forward for eaters and chefs alike, daring everyone to imagine a future for our national cuisine that is as sustainable as it is delicious.


Hit Refresh: The Quest to Rediscover Microsoft's Soul and Imagine a Better Future for Everyone

The New York Times bestseller Hit Refresh is about individual change, about the transformation happening inside of Microsoft and the technology that will soon impact all of our lives—the arrival of the most exciting and disruptive wave of technology humankind has experienced: artificial intelligence, mixed reality, and quantum computing. It’s about how people, organizations, and societies can and must transform and “hit refresh” in their persistent quest for new energy, new ideas, and continued relevance and renewal.


A Thousand Splendid Suns

The title of the book is an inspiration from a line in the poem "Kabul" by the 17th-century Iranian poet Saib Tabrizi. This novel is set in Afghanistan from the early 1960s to the early 2000s. This period saw some of the ugliest phases in Afghanistan as it witnessed the Russian invasion, Taliban rule and American intervention. It revolves around two women, Mariam and Laila, who have contradictory attitudes and very little in common. However, a series of unfortunate events and dramatic changes intertwine their lives and their subsequent friendship and support for each other is the gest of this book. Khalid Hosseini takes us through an unforgettable journey of war, misery, troubles, losses and ultimately the divine fate. Along with these two brave women, the hardcore Pashtun, Rasheed give a different angle to this saga. On a wider perspective, 'A Thousand Splendid Suns’ is a contemporary reflection of Afghani women and their womanhood.


রবীন্দ্র-প্রসঙ্গঃ আনন্দবাজার পত্রিকা ৩য় খণ্ড

দারিদ্র্য আমাদের অগ্রগতির পথে কঠিনতম বাধা। দারিদ্রের সঙ্গে কবির মুখােমুখি পরিচয় হয়েছিল পতিসর, সাজাদপুর, শিলাইদহ ও শ্রীনিকেতনের পল্লীতে। এইসব স্থানের নিরন্ন মানুষদের কর্মের সংস্থান করে তাদের দারিদ্র্য সীমার উপরে তুলতে চেয়েছিলেন কবি। স্বদেশী আন্দোলনের সময় স্বদেশী ভাণ্ডার, তাঁতশালা, আখ মাড়াইয়ের কল, আলু চাষ প্রভৃতি নানাবিধ উদ্যোগ আরম্ভ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। | হিন্দুস্থান কো-অপারেটিভ ইন্সিওরেন্স কোম্পানীর প্রতিষ্ঠা হয়েছিল জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ির একটি প্রকোষ্ঠে। রবীন্দ্রনাথ ছিলেন এর অন্যতম উদ্যোক্তা। তিনি নিজ লাভের উদ্দেশ্যে ব্যবসায়ে আগ্রহীই | ছিলেন না, উদ্দেশ্য ছিল দরিদ্র জনসাধারণকে সাহায্য করা।