Categories

book
  • new

Lord Of The Flies

  • Starting at$34.00
book
  • new

The Bad Girl

  • Starting at$34.00
book
  • new

The 80/20 Principle

  • Starting at$34.00
book
  • new

The Spy

  • Starting at$34.00

শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু

পাকিস্তান ভাংগিয়া দুই দুই টুকরা হইয়াছে। পূর্বাঞ্চল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রে উন্নীত হইয়াছে। স্বাধীন বাংলাদেশ আজ বাস্তব সত্য। এই রুপেই সে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করিয়াছে। গনতন্ত্রী আধুনিক রাষ্ট হিসাবে গণ-প্রজান্ত্রী বাংলাদেশ যে বিশ্বের দরবারে তার যথাযোগ্য মর্যদারে সাথে স্থান দখল করিবে , সে সম্বন্ধে কারও মনে দ্বিধা সন্দেহের অবকাশ নাই।


কতো নদী সরোবর বা বাঙলা ভাষার জীবনী (হার্ডকভার)

কোথা থেকে এসেছে আমাদের বাংলা ভাষা? ভাষা কি জন্ম নেয় মানুষের মতো? বা যেমন বীজ থেকে গাছ জন্মে তেমনভাবে জন্ম নেয় ভাষা? না, ভাষা মানুষ বা তরুর মতো জন্ম নেয় না। বাংলা ভাষাও মানুষ বা তরুর মতো জন্ম নেয়নি, কোনো কল্পিত স্বর্গ থেকেও আসেনি। এখন আমরা যে বাংলা ভাষা বলি এক হাজার বছর আগে তা ঠিক এমন ছিল না। সে ভাষায় এ দেশের মানুষ কথা বলত, গান গাইত, কবিতা বানাত। মানুষের মুখে মুখে বদলে যায় ভাষার ধ্বনি। রূপ বদলে যায় শব্দের, বদল ঘটে অর্থের। অনেক দিন কেটে গেলে মনে হয় ভাষাটি একটি নতুন ভাষা হয়ে উঠেছে। আর সে ভাষার বদল ঘটেই জন্ম হয়েছে বাংলা ভাষার। হাজার বছর আগে প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষা রূপান্তরিত হয়ে বঙ্গীয় অঞ্চলে জন্ম নিয়েছিলো এক মধুর - কোমল - বিদ্রোহী প্রাকৃত। তার নাম বাঙলা। 


বাঙলাদেশের প্রত্নসম্পদ

সুবিশাল ”বাঙলাদেশের প্রত্নসম্পদ” গ্রন্থটি শুধু কাগজের ভারেই ভারী নয়, অমুল্য হীরা জহওরাদিতে পূর্ন রত্নভান্ডারের মতো তথ্যেও পরিপূর্ন । শুধু প্রত্নভান্ডারের নয়, বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিচয় পাওয়া যাবে।


প্রসঙ্গ পুরাকীর্তি

আমাদের দেশের পুরাকীর্তি চর্চার মূল অনুষঙ্গগুলোর প্রাথমিক পরচিয় তুলে ধরা হয়েছে। পর্যাক্রমে এসেছে সে অনুৃষঙ্গগুলো ধরে রাখার জন্য আমাদের দেশে এ যাবৎ গৃহীত কার্যক্রম দৃষ্টান্ত।


Buildings of the British Raj in Bangladesh

The British period was not only one during which the British alone were responsible for constructions but also one during which magnificent palaces were built by local ruling class, in it style unique to Bengal. Although most of the grand monuments of the British period are located in and around Calcutta - the Job Charnock's factory-city established in 1692, - which eventually-occupied a premier position as the British capital of India between 1773 and 1912, the building remains of the period in Bangladesh are no less significant, if only less grandiose in scale. The author has, in this book, endeavored to follow the evolution of a European Renaissance style planted on its soil, on the basis of his field study of selected groups of monuments. Along with a number of photographs and colored plates, the book also presents a study, of the syncretic trend in the building art of the early 20th century when the fading Mughal style was fused with the European Renaissance. It covers, in brief, an account of old churches, British political and economic settlements, some magnificent palaces built by the local feudal nobles, Indigo-this and a few bridges. This is an excellent book, equally fascinating to the specialist as to the general reader with an interest in Bangladesh or in old buildings.


JOURNAL OF THE BANGLADESH NATIONAL GEOGRAPHICAL ASSOCIATION

Gradient changes of any morphology can be characterized mainly by the distinctive geo-environmental processes and anthropogenic parameters. The gradual change of an estuarine morphology can reflected by coastal morphodynamic behaviours. Generally an estuary contains a strong hydrogeomorphological, morphodynamical, sedimentological, chemical and bio-ecological zone.


জেলা, উপজেলা ও নদ-নদীর নামকরণের ইতিহাস

বাংলাদেশ প্রাচীন ভূখণ্ড। নদীমাতৃক হওয়ায় বাংলাদেশ জোয়ার-ভাটা আর জলসিঞ্চনের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার ভাঙ্গাগড়ার খেলায় নিয়ত গড়েছে আর ভেঙ্গেগড়ার খেলায় নিয়ত গড়েছে আর ভেঙ্গেছে।ফলে প্রাচীন হলেও এর প্রাচীনত্ব সর্বত্র অবিচ্ছিন্ন ছিল না।


বাংলাদেশের নদ-নদীর ইতিকথা

কৌশিকী নদীর তীরে বাস করতেন বিভাণ্ডক নামের এক মুনি এবং তার পুত্র ঋষ্যশৃঙ্গ। পুত্রের ব্রহ্মচর্যব্রত  সঠিকভাবে পালনের জন্যে বিভাণ্ডক তার পুত্রকে কখনও নারী জাতি সম্পর্কে কোনাে ধারণা দেননি। নারী জাতি সম্পর্কে ধারণাহীন অবস্থায় ঋষ্যশৃঙ্গ যৌবনে উত্তীর্ণ হন। এ প্রকৃতিবিরুদ্ধ ব্যাপার বিপত্তি ঘটায় প্রাকৃতিক পরিবেশে- অঙ্গ দেশের সমস্ত অঞ্চল জুড়ে দেখা দেয় খরা আর অনাবৃষ্টি। রামায়ণের এ মূল কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে বুদ্ধদেব বসু লিখেছেন তার বিখ্যাত তপস্বিনী ও তরঙ্গিণী’ নাটক; বাংলা সাহিত্যে এটি একটি উল্লেখযােগ্য সৃষ্টি।


শিবরামের মজার গল্প

কারাে ধার ধারি না, এমন কথা আর যে-ই বলুক আমি কখনওই বলতে পারি না। আমার ধারণা, এক কাবুলিওয়ালা ছাড়া এ-জগতে একথা কেউই বলতে পারে না। অমৃতের পথ ক্ষুরস্য ধারা নিশ্চিতা’; অকালে মৃত না হতে হলে ধার করতেই হবে।

ধার হলেও কথা ছিল বরং, কিন্তু তা-ও নয়। বাড়িভাড়া বাকি, তা-ও বেশি। , পাঁচশাে টাকা মাত্তর! কিন্তু তার জন্যেই বাড়িওয়ালা করাল মূর্তি ধরে দেখা দিলেন একদিন

আপনাকে অনেক সময় দিয়েছি, কোনাে অজুহাত শুনছি না আর ‘ভেবে দেখুন একবার, আমি তাকে বলতে যাই : ‘এই সামান্য পাঁচশাে টাকার জন্যে আপনি এমন করছেন! অথচ এক যুগ পরে একদিন আমি মারা যাবার পরেই অবিশ্যি আপনার এই বাড়ির দিকে লােকে আঙুল দেখিয়ে বলবে, একদা এখানে বিখ্যাত লেখক শ্রীঅমুকচন্দ্র বাস করতেন।

 


কার্ল মার্কস

ঈশ্বরের অস্তিত্বে কোনােদিনই বিশ্বাস করতেন না মার্কস। তিনি বললেন, প্রকৃতি মানুষের জীবনকে কিছুটা প্রভাবিত করলেও মানুষ প্রকৃতির প্রভাবকে চিরকাল মাথা পেতে নেয়নি, বরং নিজের প্রয়ােজনে প্রকৃতিকে রূপান্তরিত করে নিয়ে বেঁচে থাকে। দার্শনিক ফয়েরবাক মানুষকে সমাজ ও পরিবেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করে ব্যাখ্যা করতেন। মার্কস বললেন, তার এই ধারণা ভুল । মানুষ হচ্ছে সমাজবদ্ধ জীব। মানুষ একা থাকতে পারে না। তাই তাকে সমাজ গড়ে তুলতে হয়। পিএইচডি ডিগ্রির জন্য রচিত গবেষণাগ্রন্থের মুখবন্ধে মার্কস লিখেছেন, দর্শনের কাজ শুধু জগৎকে ব্যাখ্যা করা নয়, জগতের পরিবর্তন আনাও দর্শনের কাজ। ধর্ম বা ঈশ্বর নয়, দর্শন থেকেই মানুষ পাবে পরিবর্তনের প্রেরণা, জগৎ ও জীবন সম্পর্কে পাবে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি।


Lord Of The Flies

The boy with fair hair lowered himself down the last few feet of rock and began to pick his way toward the lagoon. Though he had taken off

his school sweater and trailed it now from one hand, his grey shirt stuck to him and his hair was plastered to his forehead. All round him the long scar smashed into the jungle was a bath of heat. He was clambering heavily among the creepers and broken trunks when a bird, a vision of red and yellow, flashed upwards with a witch-like cry; and this cry was echoed by another.

 


The Bad Girl

That was a fabulous summer. Pérez Prado and his twelve-professor orchestra came to liven up the Carnival dances at the Club Terrazas of Miraflores and the Lawn Tennis of Lima; a national mambo championship was organized in Plaza de Acho, which was a great success in spite of the threat by Cardinal Juan Gualberto Guevara, Archbishop of Lima, to excommunicate all the couples who took part; and my neighborhood, the Barrio Alegre of the Miraflores streets Diego Ferré, Juan Fanning, and Colón, competed in some Olympic games of mini-soccer, cycling, athletics, and swimming with the neighborhood of Calle San Martín, which, of course, we won.

 


The 80/20 Principle

You have probably observed that often the majority of output stem from the minority of input. It could happen in your business when the majority of sales come from a little subset of your products. Often this ratio is around, but not limited to 20% and 80%.That’s why it’s called the 80/20 rule or principle. Aka the Pareto principle, the law of the vital few, or the principle of factor sparsity.The ratio could be more dramatically like 99.9/0.01 or less drastic 60/40, but the point is that, in most cases, there is a non-linear relationship between input and output, effort, and results.


The Spy

"In his new novel, Paulo Coelho, best-selling author of The Alchemist and Adultery, brings to life one of history's most enigmatic women: Mata Hari. 

HER ONLY CRIME WAS TO BE AN INDEPENDENT WOMAN

When Mata Hari arrived in Paris she was penniless. Within months she was the most celebrated woman in the city. 

As a dancer, she shocked and delighted audiences; as a courtesan, she bewitched the era’s richest and most powerful men. 

But as paranoia consumed a country at war, Mata Hari’s lifestyle brought her under suspicion. In 1917, she was arrested in her hotel room on the Champs Elysees, and accused of espionage.

Told in Mata Hari’s voice through her final letter, The Spy is the unforgettable story of a woman who dared to defy convention and who paid the ultimate price"


শতাব্দী পেরিয়ে

নেতাজী সুভাষ বসু যখন আজাদ হিন্দ ফৌজের নেতৃত্ব গ্রহণ করে স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সশস্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত, তখন কংগ্রেস নেতারা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে হাত মেলানাের অভিযােগ তুলে নেতাজীর বিরােধিতা করছিলেন। জওহরলাল নেহেরু বলেই বসলেন, তিনি মুক্ত তরবারি হাতে সুভাষ বসুকে প্রতিরােধ করবেন। কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে সম্ভবত একজনই ভিন্নভাবে কথা বলেছেন। তিনি হচ্ছেন গান্ধীজী। ইতিপূর্বে মহাত্মা গান্ধী সুভাষ বসুর প্রসঙ্গে তার মহৎ আত্মার পরিচয় তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। কিন্তু সুভাষ বসুর অন্তর্ধান ও আজাদ হিন্দফৌজ গঠনের পর তিনি নেতাজীর প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে উঠেছিলেন।


উয়ারী-বটেশ্বর শেকড়ের সন্ধানে

উয়ারী-বটেশ্বর সম্প্রতি বাংলাদেশের সবচেয়ে আলোচিত প্রত্নস্থান। কৃষিজমি, বাগানবাগিচা ও ঘরবাড়ির নিচে চাপা পড়ে আছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন একটি নগর। উয়ারী-বটেশ্বর অঞ্চলের ৫০ টি প্রত্নস্থান থেকে আবিষ্কৃত হচ্ছে প্রাগৈতিহাসিক যুগের পাথর ও প্রস্তুরীভূত জীবাশ্ম -কাঠের হাতিয়ার, তাম্র-প্রস্তর সংস্কৃতির গর্ত-বসতি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস নতুন করে লেখার তাৎপর্যপূর্ণ সব প্রত্নববস্তু। উয়ারী-বটেশ্বর ছিল বাংলাদেশের প্রাচীনতম মহা জনপদ। দূর্গ নগরটি ছিল সেই মহা জনপদের রাজধানী। এটি গড়ে উঠেছিল সুপরিকল্পিতভাবে । ইতিমধ্যে এখান থেকে আবিষ্কৃত হয়েছে মাটির দূর্গ-প্রাচীর, পরিখা, পাকা রাস্তা, পার্শ্ব রাস্তাসহ ইটনির্মিত অনন্য স্থাপত্য নিদর্শন। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় অবস্থিত উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি নদী বন্দর ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকেন্দ্র। মনে করা হচ্ছে, টলেমি বর্ণিত সৌনাগড়াই উয়ারী -বটেশ্বর।আরও মনে করা হচ্ছে, উয়ারী বটেশ্বর অঞ্চলে ছিল গঙ্গাঋদ্ধি জাতির বাস। ভারতীয় উপমহাদেশের আদি ঐতিহাকি কালের অনেক নগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ভূমধ্যসাগর অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল উয়ারী-বটেশ্বরের। ২৩০০ বছরের প্রাচীন ৪০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ বিশ্ববিখ্যাত সিলক্ রুটের সঙ্গেও যে উয়ারী বটেশ্বর সংযুক্ত ছিল, নানা নিদর্শনগত প্রমাণ থেকে সম্প্রতি তা উজ্জ্বল হয়ে উঠতে শুরু করেছে। উয়ারী-বটেশ্বরে বিকশিত হয়েছিল স্বল্প-মূল্যবান পাথরের নয়নাভিরাম পুঁতি তৈরির কারখানা। এখানে আবিষ্কৃত উপমহাদেশের প্রাচীনতম ছাপঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রা ও মুদ্রাভান্ডার , অনন্য স্থাপত্যকীর্তি ,হরেক রকমের পুঁতি, সুর্দশন লকেট ও মন্ত্রপূত কবচ, বাটখারা, পোড়ামাটি ও ধাতব শিল্পবস্তু, মৃৎপাত্র, চিত্রশিল্প ইত্যাদি শিল্পীর দক্ষতা, উন্নত শিল্পবোধ ও দর্শনের পরিচয় বহন করে । এ গ্রন্থে এসব কিছুরই সমূল পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে অনুপুঙ্খভাবে।


নির্বাচিত কলাম

আমি ওই বয়সেই চোখের সামনে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলাম আমি ছেলেটিকে ধরবাে অথবা ধরবার জন্য লােকজনের সাহায্য চাইবাে, সবাই আমাকে ভিড় করে দেখবে, আমার শরীরের বাঁক দেখবে, উজ্জ্বলতা দেখবে, যন্ত্রণা দেখবে, আমার আর্তস্বর, আমার ক্রোধ, আমার কান্না দেখবে। কেউ আহা উহু করবে, কেউ গায়ে পড়ে জানতে চাইবে ব্যাপারটি কী, কেউ ছেলেটিকে ধরে এনে কষে দুই থাপ্পড় মারবার কথা বলবে, কেউ বাড়ি কোথায়, বাবা কে ইত্যাদির খোঁজখবর নেবে। আসলে সবাই তারা আমাকে উপভােগ করবে। আমার অসহায়ত্ব উপভােগ করবে। আমার নিরাপত্তাহীনতা উপভােগ করবে। পােড়া বাহু দেখবার নাম করে আসলে তারা আমার সুডােল খােলা বাহুটিই দেখবে। আমি চলে গেলে পেছনের শুভার্থীরা সমস্বরে সিটি দেবে। এসব ভেবেই আমি আমার সমস্ত যন্ত্রণা নিজের ভেতরে চেপে রেখেছিলাম।


মেঠো ইঁদুরের মতো মানুষদের গল্প

পরিশেষে একটু ব্যক্তিগত কৃতজ্ঞতা প্রকাশ না করলেই নয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক, শ্রদ্ধাভাজন এম এম আকাশ বইটির সঙ্গে আমার প্রাথমিক পরিচয় না ঘটিয়ে দিলে আমি এমন একটি চমৎকার, হৃদয়গ্রাহী উপন্যাস অনুবাদ করার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতাম। আর-একজনের কথা না উল্লেখ করলেই নয়। কর্ম উপলক্ষে স্বল্পকালের জন্য বাংলাদেশে আসা যুক্তরাষ্ট্রের এক ব্যক্তির কথা। নাম তার জেনিফার লরেঞ্জ। তিনি আমাকে মূল ইংরেজির কিছু কিছু আঞ্চলিক শব্দ, অভিব্যক্তি এবং বাগ্-বৈশিষ্ট্য বুঝতে সাগ্রহে সাহায্য করেছেন।

 


ডুবোচর

প্রত্যেক লেখকেরই নিজস্ব এক ভরকেন্দ্র থাকে। যেখানে দাঁড়িয়ে তিনি নিজের জগৎ নির্মাণ করেন। অথবা সেখানে পা রেখেই তিনি নিজের বোধ-ভাষাকে অনন্ত নক্ষত্রবীথিতে ছড়িয়ে দেন। আর বড় লেখকরা অনেক সময় এই ভরকেন্দ্রও বদলে ফেলার ক্ষমতা রাখেন। গল্পকার পারভেজ হোসেনে এই পঞ্চম গল্পগ্রন্থ ডুবোচর এর এসে মনে হচ্ছে, তিনি তাঁর জীবন ও শিল্পভ্রমণের মধ্যপর্বে এসে সেটিকেও বদলে ফেলার সক্ষমতা দেখিয়েছেন। তাঁর বিগত গল্পবইগুলোতে আমরা ফিরে ফিরে পেয়েছি বিষখালি-সুগন্ধা-ধানসিঁড়ি-জাঙ্গালিয়া নদীতীরবর্তী জীবনের গাঢ় আখ্যান এমনকি নগরজীবনের গল্পেও যেন এর ঘ্রাণ থাকত। কিন্তু এই বইয়ে এসে যেন তিনি বড় ধরনের বাঁক নিলেন। আর কেবল গল্পই লিখেননি তিনি, বরং জীবনের এমন সব অনুভূতি ও জিজ্ঞাসার সামনের নিজেকে দাঁড় করিয়েছেন যে, কখনো কখনো তাঁর গল্পগুলো হয়ে উঠেছে আত্মদর্শন-উপলব্ধ অন্তর্গত বয়ান। গল্পগুলো পাঠ করতে করতে জীবনানন্দের গদ্যপদ্যর ঘ্রাণ টের পাবেন পাঠক, কিন্তু এতে জীবনানন্দর ভাষাপ্রভাবের সঙ্গে উভয় লেখকের ভূগোল, নৈকট্যও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। হয়তোবা দেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রতিবেশটাই এমন যা এক -একজন লেখককে জীবনান্দতুল্য করে তোলে। আশির দশকের অন্যতম শক্তিমান গল্পকার পারভেজ হোসেন তাঁর এই নতুন বইয়েও লিখেছেন গ্রাম ও শহরের গল্প। কিন্তু লিখেছেন অন্য এক ভাষায়, আরো নিবিড় করে, পাঠকের অন্ত খুঁড়ে খুঁড়ে।