Categories


গীতাঞ্জলি (হার্ডকভার)

আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার 

চরণধুলার তলে।

সকল অহংকার হে আমার

ডুবাও চোখের জলে।

নিজের করিতে গৌরব দান

নিজেরে কেবলই করি অপমান,

আপনারে শুধু ঘেরিয়া 


উঁকি দিয়ে দিগন্ত’র

হাসান আজিজুল হক মানেই এক বিস্ময়। কারণ তার লেখার অসাধারণ ক্ষমতা তাকে করেছে জীবন্ত কিংবদন্তী। আর কিংবদন্তীদের জীবন কেমন হয়, তা তো অনেকেরই জানা। মানে, অসম্ভব রোদরঙা। সেই রোদরঙা জীবনকেই আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন তিনি। ফিরে যাই ফিরে আসি’র পর তার জীবনের আরো এক অধ্যায়ের নাম ‘উঁকি দিয়ে দিগন্ত’।


Catching Fire

The hotly awaited sequel to THE HUNGER GAMES finds champions Katniss and Peeta in the thick of rebellion and danger. After outwitting the Capitol, and infuriating the president and powers that be, the pair must tour the country as victorious faces of the nation. But trouble is brewing in Panem, and it seems to be connected to Katniss and Peeta. How will they help the people, keep their families safe, and escape the wrath of their corrupt government? Romance, action, and excitement abound. 


বাংলা কাব্যসংগীত ও রবীন্দ্রসংগীত

উনিশ শতকের বাংলা কাব্যসংগীতে সুর ও ভাষা একের পরিবর্তে দুই ব্যক্তির যৌথ সৃষ্টি হয়ে উঠতে থাকে। কাব্য হয় সুরবর্জিত পাঠ্য বা আবৃত্তিযােগ্য কবিতা। আর কাব্যসংগীত হয়ে ওঠে সুরনির্ভর গেয় কবিতা। মধ্যযুগের মতাে কবি ও গায়ক আর এক ব্যক্তিত্বে কেন্দ্রীভূত থাকে না। কাব্য ও কাব্যসংগীত পরস্পরকে প্রভাবিত করে উনিশ শতকে সমান্তরালভাবে এগিয়ে চলে। আজ পর্যন্ত সেই সমান্তরধারা অক্ষুন্ন আছে।


রবীন্দ্র-প্রসঙ্গঃ আনন্দবাজার পত্রিকা ২য় খণ্ড

স্বদেশীযুগের দেশ ভাবনার মধ্যে যে ত্যাগ, কমোদ্যম, গ্রাম সংগঠনের ও সমাজ গঠনের প্রাণবন্ত উদ্যোগ দেখা গিয়েছিল, মাত্র কয়েক দশকের মধ্যেই তা বিদূরিত হয়েছে দেখা যায়। শুধু দেশের মাটির সঙ্গে সম্পর্কহীন রাজনৈতিক কূটকৌশল বড় হয়ে উঠেছে, গড়ার কাজ ছেড়ে আরম্ভ হয়েছে বাধা দানের কৌশল—সে অহিংস বা সহিংস যাই হােক না কেন। এমন কি স্বদেশের ভবিষ্যৎ শাসনতন্ত্র কি রূপ নেবে তাও আমরা মিলিতভাবে স্থির করতে ব্যর্থ হয়েছি।


উত্তর-পূর্ব ভারতে রবীন্দ্রচর্চা

রবীন্দ্রনাথ শিলাইদহ থেকে সাজাদপুরে যাওয়ার সময় নিজেদের পদ্মাবােটে করে দুটি জলপথে যেতেন। এর একটি হল—শিলাইদহ থেকে পদ্মা পার হয়ে পাবনা শহরের কাছে ইছামতী নদী ধরতেন এবং ইছামতী ধরে যেতেন। ইছামতী যেখানে হুড়া সাগরে পড়েছে, সেখানে গিয়ে তিনি হুড়া সাগর ধরে বড়ল নদীতে যেতেন। কিছুটা গিয়ে বড়লের শাখা সােনাই নদী দিয়ে রাউতাড়া পর্যন্ত যেতেন। সেখান থেকে পালকিতে সাজাদপুরে কাছারির কুঠিবাড়িতে যেতেন।


গুরুদেব ও শান্তিনিকেতন

রবীন্দ্রনাথের সাহচর্য দীর্ঘদিন লাভ করিয়াছেন, বাংলা সাহিত্যের লেখকদের মধ্যে এমন সংখ্যা বেশি নয়। এই প্রসঙ্গে শ্ৰীপ্ৰমথনাথ বিশীর পর একমাত্র সৈয়দ মুজতবা আলীর নামই করা যায়। সৈয়দ মুজতবা আলীর নিকট একটি পূর্ণাঙ্গ কবিস্মৃতি লিখিবার অনুরোধ আমরা অনেকবার করিয়াছিলাম। লিখিবার বাসনাও তাঁহার হইয়াছিল। কতকটা সময়াভাব ও কতকটা আলস্যবশত শেষ পর্যন্ত তাহা হইয়া ওঠে নাই, যদিও তিনি বলিতেন গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ সম্বন্ধে বিভিন্ন স্থানে প্রবন্ধে যাহা লিখিয়াছেন তাহা সাজাইয়া সম্পাদন করিয়া একটি পূর্ণাঙ্গ স্মৃতি-গ্রন্থের রূপ দেওয়া বিশেষ আয়াসসাধ্য নয়। “গুরুদেব ও শান্তিনিকেতন’ গ্রন্থটির প্রকাশ তাহার সেই অপূর্ণ বাসনা পরিপূরণের একটি প্রয়াস মাত্র। এই গ্রন্থ সংকলন কালে “গুরুদেব” নামক প্রথম অংশে ব্যক্তি রবীন্দ্রনাথ, রবীন্দ্রসঙ্গীত ও রবীন্দ্ৰ-সাহিত্য সম্পর্কিত রচনাগুলি সংকলিত হইয়াছে। শান্তিনিকেতন আশ্রম ও অন্যান্য আশ্রম-সতীর্থদের সম্বন্ধে মূল্যবান রচনাগুলি অন্তর্ভুক্ত হইয়াছে “শান্তিনিকেতন’ নামক দ্বিতীয় অংশে। ‘গুরুদেব’ অংশের রচনাগুলির বিস্তৃত পরিচয় গ্রন্থ-পরিচয়ে দেওয়া হইয়াছে। গ্রন্থের দুই অংশেরই রচনাগুলি ঘটনা-পরম্পর্য ক্রম অনুসারে সাজানো হইয়াছে। ত্রুটিবিচূতি থাকিলেও থাকিতে পারে। সহৃদয় পাঠক কেহ সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করিলে বাধিত হইব।